এমপিওভুক্ত হচ্ছে না ১,৭১৯ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, পুনর্মূল্যায়নের সিদ্ধান্ত

ডেস্ক নিউজঃ দেশের ১ হাজার ৭১৯টি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করার জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের চূড়ান্ত করা তালিকা আপাতত বাস্তবায়ন করছে না বর্তমান সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পূর্বের তালিকা পুনরায় যাচাই-বাছাইয়ের আওতায় আনা হবে এবং একই সঙ্গে নতুন করে আবেদন গ্রহণ করা হবে। এরপর পুরোনো ও নতুন সব আবেদন একত্রে মূল্যায়ন করে চূড়ান্ত তালিকা নির্ধারণ করা হবে।
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, পূর্বের তালিকা বাতিল করা হয়নি; বরং নতুন আবেদনের সঙ্গে সমন্বয় করে পুনর্মূল্যায়ন করা হবে। তিনি বলেন, নতুন তালিকা চূড়ান্ত করে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বাজেট বরাদ্দ সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এর আগে ‘বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (স্কুল ও কলেজ) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৫’-এর আওতায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এমপিওভুক্তির লক্ষ্যে আবেদন আহ্বান করা হয়। গত ১৪ থেকে ২৫ জানুয়ারি পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন গ্রহণ করা হলে মোট ৩ হাজার ৬১৫টি আবেদন জমা পড়ে। এর মধ্যে নিম্নমাধ্যমিক, মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক এবং স্নাতক (পাস ও সম্মান) পর্যায়ের প্রতিষ্ঠান অন্তর্ভুক্ত ছিল।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, ডিজিটাল সফটওয়্যারের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয় গ্রেডিং করে প্রাথমিকভাবে ১ হাজার ৭১৯টি প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্তির জন্য উপযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। এ লক্ষ্যে গত ৫ ফেব্রুয়ারি অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাছে ৬৭০ কোটি টাকা বরাদ্দও চাওয়া হয়। তবে তালিকা প্রণয়নে অনিয়ম ও ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ ওঠায় বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তি একটি চলমান প্রক্রিয়া। প্রতিষ্ঠানের যোগ্যতা, জনসংখ্যা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ঘনত্ব এবং সরকারের আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায় এ কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে অব্যাহত থাকবে।
