আমার ছবি তোলাতেই কি মেসি মিস?”—মজার প্রশ্ন শুভশ্রীর

আমার ছবি তোলাতেই কি মেসি মিস?”—মজার প্রশ্ন শুভশ্রীর

বিনোদন ডেস্কঃ সম্প্রতি আর্জেন্টাইন ফুটবল তারকা লিওনেল মেসিকে নিয়ে কলকাতায় তুলকালাম কাণ্ড ঘটে গেছে। এদিন ‘খুদে জাদুকর’কে একনজর দেখতে না পারার আক্ষেপে পুড়ছেন অনুরাগীরা। এর মাঝে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মেসির সঙ্গে অভিনেত্রী শুভশ্রী গাঙ্গুলির ছবি পোস্ট যেন আগুনে ঘি ঢেলে দেয়! মন্তব্যের ঘরে ক্ষোভ উগরে দেন নেটিজেনদের একাংশ।

এবার বিষয়টি নিয়ে মুখ খুললেন অভিনেত্রী। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিও বার্তার মাধ্যমে সমস্ত বিতর্কের জবাব দিলেন শুভশ্রী। পুরো ঘটনার ব্যাখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, G.O.A.T ইভেন্টে আমাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। বিনোদন জগতের প্রতিনিধি হিসেবে আমি এবং কৌশিক গাঙ্গুলি সেখানে আমন্ত্রিত ছিলাম।

তার কথায়, আমন্ত্রণ পেয়েই আমরা মেসির হোটেলে যাই। নির্ধারিত সময়ে আমরা মেসির সঙ্গে দেখা করি এবং ছবিও তুলি। সেখান থেকে বেরিয়ে আসার সময় ওদের পিআর টিমের পক্ষ থেকে আমাকে যুবভারতীতে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়। বলা হয়, আমি গেলে ওদের সুবিধা হবে। মাঠে আমাদের জন্য একটি নির্দিষ্ট তাঁবুর ব্যবস্থা ছিল, আমরা সেখানেই অপেক্ষা করছিলাম।

তিনি আরও বলেন, যে সময়ে ছবিগুলো পোস্ট করা হয়েছে, নেটওয়ার্কের সমস্যার জন্য সেই মুহূর্তে তা পোস্ট হয়নি। কারণ, ক্রীড়াঙ্গনে জ্যামার লাগানো ছিল। মেসি ক্রীড়াঙ্গনে ঢোকেন সাড়ে ১১টা নাগাদ। তাকে নিয়ে যে বিশৃঙ্খলা শুরু হয়েছিল, সেটা আমি নিজের চোখে দেখেছি।

সমালোচনার বিষয়ে নায়িকা বলেন, প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে আমার ছবিগুলো কিছুটা দেরিতে পোস্ট হয়। আর সেটাই দুরন্ত গতিতে ছড়িয়ে পড়ে। এরপরই আমাকে নিয়ে ট্রোলিং শুরু হয়। আমাকে প্রোপাগান্ডা এবং অবজেক্ট বানিয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয়েছে। কেউ কি বলতে পারবেন যে, আমার ছবি তোলার জন্যই আপনারা মেসিকে দেখতে পাননি? আমি কি মাঠের কোথাও ছিলাম?

এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ করেছেন শুভশ্রীর স্বামী পরিচালক রাজ চক্রবর্তী। তার অভিযোগ, এসব মন্তব্যের পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যও থাকতে পারে।

প্রসঙ্গত, গত শনিবার নির্ধারিত সময়েই যুবভারতী স্টেডিয়ামে পৌঁছান মেসি। কিন্তু আয়োজকসহ অন্যান্যদের ভিড়ে এবং ছবি তোলার মাঝে ঢাকা পড়ে যান মেসি। হাসিমুখে গ্যালারির উদ্দেশে হাত নাড়লেও সেটা দেখতে পাননি দর্শক। কারণ কিংবদন্তি ফুটবলারকে ঘিরে রেখেছিলেন অন্তত ৫০ জন। যার জেরে কেউ মাঠে বোতল ছুড়ে, কেউ বা চেয়ার-ব্যারিকেড ভেঙে, পোস্টার পুড়িয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করা শুরু করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *