দুই মাইলফলকের সামনে মেসি, সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে স্কালোনি

ক্রীড়া ডেস্ক : বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে ওঠার লড়াইয়ে আজ শুক্রবার দিবাগত রাত ৪টায় নবাগত কেপ ভার্দের হচ্ছে বর্তমানচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার মায়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে খেলাটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। গুরুত্বপূর্ণ এ ম্যাচের আগে দেখে নেওয়া যাক কিছু পরিসংখ্যান:
২০১০ সালে স্লোভাকিয়ার পর কেপ ভার্দে প্রথম দল, যারা নিজেদের প্রথম বিশ্বকাপেই নকআউট পর্বে উঠেছে। এ ছাড়া ২০০৬ সালে ঘানার পর, প্রথম আফ্রিকান দল হিসেবে এই কৃতিত্ব অর্জন করেছে মাত্র ৪ হাজার বর্গকিলোমিটার আয়তন ও ৬ লাখ জনসংখ্যার দেশটি।
১৯৯৮ সালে চিলির পর, প্রথম দল হিসেবে তিনটি ম্যাচ ড্র করে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে উঠেছে কেপ ভার্দে। দলটির জন্য আরেকটি ঐতিহাসিক ঘটনা- নিজেদের প্রথম বিশ্বকাপেই নকআউট পর্বে শিরোপাধারীদের মুখোমুখি হওয়া তৃতীয় দল তারা। এর আগে ১৯৩৮ সালে ইতালির বিপক্ষে নরওয়ে ২-১ গোলে ও ২০০৬ সালে ব্রাজিলের বিপক্ষে ঘানা ৩-০ গোলে হেরেছিল।
বিশ্বকাপের ইতিহাসে তৃতীয় ক্ষুদ্রতম দেশ হিসেবে এবার বিশ্বমঞ্চে জায়গা করে নেয় কেপ ভার্তে। নকআউটে উঠতে পারা ক্ষুদ্রতম দেশ তারাই।
এই শতাব্দীতে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন হিসেবে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে ওঠা তৃতীয় দল আর্জেন্টিনা। তাদের আগে এই কৃতিত্ব আছে ব্রাজিল (২০০৬ সালে কোয়ার্টার-ফাইনালে ফ্রান্সের কাছে হেরেছিল) ও ফ্রান্স (২০২২ সালে ফাইনালে আর্জেন্টিনার কাছে পেনাল্টিতে হেরেছিল)।
বিশ্বকাপে আফ্রিকান দলগুলোর বিপক্ষে নিজেদের সবশেষ সাত ম্যাচের প্রতিটিতেই জিতেছে আর্জেন্টিনা, তবে এমন প্রতিপক্ষের কাছে প্রথম ম্যাচেই হেরেছিল তারা, ১৯৯০ সালে ক্যামেরুনের বিপক্ষে ১-০ গোলে। বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার সবশেষ ১৩টি নকআউট ম্যাচের সাতটিই গড়িয়েছে অতিরিক্ত সময়ে। এমনকি আলবিসেলেস্তেদের চেয়ে আর কোনো দলের এত বেশি ম্যাচ অতিরিক্ত সময়ে যায়নি (মোট ১১টি, যা জার্মানি ও ইতালির সমান)।
বিশ্বকাপে নিজের সবশেষ সাত ম্যাচেই গোল করেছেন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসি। এমন কীর্তি গড়া প্রথম ফুটবলার তিনি। এই সাত ম্যাচে ১১টি গোল করেছেন তিনি। আর নকআউটে নিজের সবশেষ পাঁচ ম্যাচে মোট ৯টি গোলে সম্পৃক্ত ছিলেন তিনি (পাঁচ গোল, চার অ্যাসিস্ট)।
বিশ্বকাপের ইতিহাসে বর্তমানে সর্বোচ্চ গোলদাতা মেসি। প্রথম ফুটবলার হিসেবে বিশ্ব মঞ্চে ২০ গোলের মাইলফলক ছুঁতে তার প্রয়োজন আর মাত্র একটি গোল।বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার রেকর্ডধারীও মেসি। এটি হবে তার ৩০তম ম্যাচ।
আসন্ন ম্যাচটি হবে আর্জেন্টিনার কোচ হিসেবে লিওনেল স্কালোনির ১০০তম ম্যাচ, অর্থাৎ আর্জেন্টিনার হয়ে ডাগআউটে সেঞ্চুরি করবেন তিনি। আগের ৯৯ ম্যাচের ৭২টিতে তিনি জিতেছেন, ড্র ১৮টি, হার কেবল ৯টি।
