
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ২০১৩ সালে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি)-র বৈজ্ঞানিক সহকারী পদে নিয়োগ সংক্রান্ত একটি গোপন দুর্নীতি চিত্র উঠে এসেছে।
সেই সময় মোট ২০টি শূন্য আসনে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হয়েছিল। স্বাভাবিক নিয়মে বাছাই কমিটি লিখিত পরীক্ষার নম্বর, কোটাসহ বিভিন্ন মানদণ্ড বিবেচনায় নিয়ে ১৮ জন প্রার্থীর নিয়োগ সুপারিশ করেছিল। পরে সেই সুপারিশ অনুযায়ী নিয়োগ দেয়া হয়েছিল।
কিন্তু দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-এর তদন্তে দেখা গেছে, সুপারিশপ্রাপ্ত ওই ১৮ জনের বাইরে ৪২ জন প্রার্থীকে সম্পূর্ণ অনিয়মভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তারা কেউ আবেদন করেনি, কেউ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়নি — তবু নিয়োগ পেয়েছে।
উদাহরণস্বরূপ, ২৫ জন লিখিত পরীক্ষায় পাশ করতে পারেনি। ১৪ জন লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেও সাক্ষাৎকারে ফেল হয়েছেন। সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর হলো— ৩ জন একদমই আবেদন করেনি, তবুও নিয়োগ পেয়েছে।
এই নিয়ে বারি-র সাবেক মহাপরিচালক (ডিজি) সহ মোট ৪৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা করার জন্য আজ সোমবার দুদকের কার্যালয় থেকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
অনিয়মের এ ধারা ও নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতায় বড় প্রশ্ন উঠেছে, যা নিয়োগপ্রত্যাশীদের মধ্যে হতাশা ও আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।
প্রকাশক ও সম্পাদকঃ আকরামুল হক
নির্বাহী সম্পাদকঃএস এম বদরুল আলম
ফোন নাম্বারঃ 01718246730
Copyright © 2025 All rights reserved আজকের ঢাকা