
বিনোদন ডেস্কঃ বলিউডের প্রখ্যাত অভিনেতা সতীশ শাহ আর নেই। শনিবার (২৫ অক্টোবর) দুপুর আড়াইটার দিকে মুম্বাইয়ের একটি হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর। জানা গেছে, কিডনি বিকল হওয়াই মৃত্যুর প্রধান কারণ।
অভিনেতার দীর্ঘদিনের বন্ধু ও সহঅভিনেতা জনি লিভার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে বলেন, “চল্লিশ বছরের বন্ধুকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ হয়ে গেছি। সতীশ শুধু অসাধারণ অভিনেতা নন, ছিলেন ভীষণ মানবিক একজন মানুষ।” এই শোকের সংবাদে বিনোদন জগত শোকাহত।
অভিনেতার বন্ধু ও চলচ্চিত্র পরিচালক অশোক পণ্ডিত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, “অত্যন্ত ভারাক্রান্ত হৃদয়ে জানাচ্ছি, আমাদের প্রিয় বন্ধু সতীশ শাহ আর নেই। কিডনি বিকল হয়ে তিনি আজ আমাদের ছেড়ে চলে গেলেন। ইন্ডাস্ট্রির জন্য এটি এক অপূরণীয় ক্ষতি।”
ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়া থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জনকারী সতীশ চার দশকের বেশি সময় ধরে অভিনয় জগতে অনেক স্মরণীয় চরিত্র উপহার দিয়েছেন। ১৯৭৮ সালে ‘অরবিন্দ দেশাই কি আজিব দাস্তান’ এবং ১৯৭৯ সালে ‘গমন’ ছবিতে ছোটখাটো ভূমিকায় শুরু করেন তিনি। ১৯৮৩ সালে কুন্দন শাহ পরিচালিত ‘জানে ভি দো ইয়ারো’ ছবিতে দুর্নীতিগ্রস্ত পৌর কমিশনার ডি’মেলোর চরিত্রে অভিনয় করে ঘরে ঘরে পরিচিত হন।
এরপর তিনি অভিনয় করেছেন ‘হাম সাথ সাথ হ্যায়’, ‘ম্যায় হুঁ না’, ‘কাল হো না হো’, ‘কভি হাঁ কাভি না’, ‘দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে জায়েঙ্গে’, ‘ওম শান্তি ওম’, ‘ফানাহ’ ও ‘আকেলে হাম আকেলে তুম’-সহ অনেক মূলধারার ব্লকবাস্টার ছবিতে। টেলিভিশনে তাঁর সবচেয়ে স্মরণীয় চরিত্র ‘সারাভাই বনাম সারাভাই’-এর ইন্দ্র বর্ধন সারাভাই। এছাড়াও তিনি ‘ইয়ে জো হ্যায় জিন্দেগি’ এবং ‘ফিল্মি চক্কর’-এর মতো ধারাবাহিকেও কাজ করেছেন।
২০১৪ সালে সাজিদ খান পরিচালিত ‘হামশকলস’ ছিল অভিনেতার শেষ সিনেমা। অভিনয়ের পাশাপাশি ২০০৮ সালে অর্চনা পুরন সিংয়ের সঙ্গে ‘কমেডি সার্কাস’-এর সহবিচারক হিসেবেও কাজ করেছেন।
ব্যক্তিজীবনে তিনি ডিজাইনার মধু শাহ-এর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ ছিলেন। সতীশ শাহের মরদেহ আপাতত হাসপাতালেই রাখা হয়েছে। তার শেষকৃত্য আগামীকাল রোববার (২৬ অক্টোবর) সম্পন্ন হবে।
প্রকাশক ও সম্পাদকঃ আকরামুল হক
নির্বাহী সম্পাদকঃএস এম বদরুল আলম
ফোন নাম্বারঃ 01718246730
Copyright © 2025 All rights reserved আজকের ঢাকা